বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৪,৬০৮
সুস্থ
৯,৩৭৫
মৃত্যু
৬১০

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,০৪৭,৬৫৬
সুস্থ
২,৬৭২,১৮৩
মৃত্যু
৩৬৭,১৭২

ডিভাইস গলায় ধরলেই জানা যাবে করোনায় আক্রান্ত কিনা।

ডিভাইস গলায় ধরলেই জানা যাবে করোনায় আক্রান্ত কিনা।

বাজারে আসলো নতুন সেন্সর যা গলায় রাখলে জানা যাবে কোরানায় আক্রান্ত কি না
এ ওয়ারলেস ডিভাইস টি গলা এবং বুকের সাথে আটকে রাখা যায়।

কাশ কফ কম্পনের গতি বিধির উপর ভিত্তি করে করোনার লক্ষন গুলি তুলে ধরতে সংক্ষম এই ডিভাইস।

এ ডিভাইস টি এখন পর্যন্ত ২৫ জনের উপর ব্যাবহার করে দেখা হয়েছে।
বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে বিশ্বের সব দেশই মোকাবিলা করছে। করোনা নিয়ে আতঙ্কে আছেন বাংলাদেশ ও।

এর চেয়ে ভয়ঙ্কর হলো এ রোগের লক্ষণগুলি।কেননা করোনা ভাইরাসের লক্ষণগুলি অনেকর মধ্যে দেখা যায় না এবং অনেকর মধ্যে এটি বেশ দেরিতে দেখা যায়।
এরই সঙ্গে ওই সংক্রমিত ব্যাক্তি আরও অনেক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় এই ভাইরাস।

তাই এই মহামারীর সময় এমন একটি ডিভাইস এর দরকার ছিলো যা মানুষকে পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষণগুলি সম্পর্কে জানিয়ে দিতে পারবে।

প্রয়োজনটি দেখে ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, শিকাগো এবং শিরলে রায়ান অ্যাবিলিটি ল্যাব একটি বিশেষ স্টিকার তৈরি করেছেন, যা দেখতে একটি ব্রেন্ডের এর মতো।

কিন্তু এটি একটি ওয়্যারলেস সেন্সর যা গলা এবং বুকের সাথে আটকে দেওয়া যায়।
এই ডিভাইসটি কে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কফ, শ্বাসের গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলি তুলে ধরেতে পারে।

এছাড়ও এই ডিভাইসটি করোন ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ এবং অসুস্থতা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

এই ডিভাইসটি তে অনেক সেন্সর রয়েছে। এই ডিভাইস কে করোনা সেন্সর বলা হচ্ছে।

করোনা সেন্সরটি এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের উপর টেষ্ট করা হয়েছে।
সেন্সরটি একটি ওয়্যারলেস চার্জারের মাধ্যমে চার্জ করা যাবে এবং ডেটা কে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দেখা যাবে।
সেন্সরে কোনও পোর্ট দেওয়া হয়নি। এতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও করা হয়েছে।

তবে গোপনীয়তার কথা মাথায় রেখে এই স্টিকারটিতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়নি।

ডিভাইসে হাই ব্যান্ডউইথ ও ট্রাই এক্সিস এক্সিলারোমিটার এর ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে শ্বাস প্রশ্বাসের ধরণকে নির্নয় করা যায়।
এই ডিভাইস টি হার্ট ভিট রেট এবং দেহের তাপমাত্রাও পরিমাপ করতে পারে।
এ ডিভাইস টিতে অক্সিজেন মিটার দেওয়া হয়নি, তবে অক্সিজেন মিটার ডিভাইস এর পরবর্তী সংস্করণে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

আরো জানা যায় যে কফ, শ্বাস নিশ্বাস এর গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলি নির্নয় করে ৷করতে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের সময় লাগবে ৷
তাদের মতে অতি শিঘ্রই এটি সরকারিভাবে ছাড়বে বাজারে ৷ যদিওবা এখনও সরকারি ভাবে অনুমোদন প্রাপ্ত হয় নি এই ছোট ডিভাইস টি ৷
তবে আশা করা যাচ্ছে করোনা সনাক্তের কিটের মূল্যর থেকে এই ডিভাইস টির মূল্য অনেক কম হবে ৷ এবং ডিভাইস টি জীবানু মুক্ত করে একাধিক বার ব্যবহার করা যাবে ৷